অর্থ লিপি

১৩ মার্চ ২০২৬ শুক্রবার ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২

নির্ধারিত সময়ে নবায়ন ফি পরিশোধ না করলে বন্ধ হয়ে যাবে বিও একাউন্ট

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

নির্ধারিত সময়ে নবায়ন ফি না দেওয়ায় শেয়ারবাজারে প্রতিবছর হাজার হাজার বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যায়।

বন্ধ হয়ে যাবার পরে লেট ফি দিয়েও বন্ধ অ্যাকাউন্ট আর চালু করা যায় না।

একটি নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে নবায়ন ফির টাকা না থাকলে,ব্রোকারেজ হাউজ মার্চেন্ট ব্যাংকগুলি সেই সব একাউন্ট গুলির লিস্ট করে  বন্ধ করে দেয়। বন্ধ হয়ে যাওয়া একাউন্ট গুলির লিস্ট পাঠিয়ে দেয় সিডিবিএলে।

ব্রোকারেজ হাউজ মার্চেন্ট ব্যাংকগুলির পাঠানো তালিকার ভিত্তিতে একাউন্ট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে শেয়ার সংরক্ষণকারী কোম্পানি সিডিবিএল (সেন্ট্রাল ডিপোজেটরি বাংলাদেশ লিমিটেড) সাধারণত বিও একাউন্টের নবায়নের শেষ সময় থাকে ৩০ জুন।

তবে ব্রোকারেজ হাউজগুলো জুনের প্রথম সপ্তাহ থেকে নিষ্ক্রিয় বিও অ্যাকাউন্ট বন্ধেরবতালিকা পাঠানো শুরু করে।

বর্তমানে বিও অ্যাকাউন্ট নবায়ন করতে ৪৫০ টাকা লাগে। এর মধ্যে সিডিবিএল ১০০ টাকা, হিসাব পরিচালনাকারী ব্রোকারেজ হাউজ ১০০ টাকা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশসিকিউরিটিজ অ্যান্ড কমিশন (বিএসইসি) ৫০ টাকা এবং বিএসইসির মাধ্যমে সরকারিকোষাগারে ২০০ টাকা জমা হয়।

প্রতিবছর ৩০ জুনের মধ্যে এই ফি সিডিবিএলে জমা দিতে হয়।

সাধারণত ব্রোকারেজ হাউজগুলো বিনিয়োগকারীদের লেনদেনের সক্রিয়তা বিবেচনাকরে বছরের বিভিন্ন সময়ে অ্যাকাউন্ট বাতিল করে।তবে ৩০ জুন অব্দি নবায়ন দিতে ব্যর্থ হওয়া বেশির ভাগ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়।

তবে যেসব অ্যাকাউন্টে শেয়ার আছে অথবা টাকা জমা আছে, ওই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেওয়া হয়।অথবা নবায়ন ফি পরিমান শেয়ার বিক্রি করে এডজাস্ট করে কখনো কখনো।

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ডিপোজিটরি (ব্যাবহারিক) প্রবিধানমালা, ২০০৩ এর তফসিল অনুযায়ী, বিও হিসাব পরিচালনার জন্য ডিপজিটরি অংশগ্রহণকারী বা বিনিয়োগকারীকে নির্ধারিত হারে বার্ষিক হিসাবরক্ষণ ফি দিয়ে হিসাব নবায়ন করতে হয়। এর আগে পঞ্জিকাবর্ষ হিসাবে প্রতিবছর ডিসেম্বরে এই ফি জমা নেওয়া হতো।

তবে ২০১০ সালের জুনে বিএসইসি বিও হিসাব নবায়নের সময় পরিবর্তন করে বার্ষিক ফি প্রদানের সময় জুন মাস নির্ধারণ করে। সময়ে বিও নবায়ন ফি ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে৫০০ টাকা করা হয়। পরে ৫০ টাকা কমানো হয়। অন্যদিকে ২০১১ সালের ১৮ এপ্রিল বিএসইসির জারি করা এক সার্কুলারে ৩০ জুনের মধ্যে বিও অ্যাকাউন্ট নবায়নের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়। না হলে অ্যাকাউন্ট বাতিল করা হবে বলে ওই সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছিল।

যাদের বিও একাউন্টে নির্ধারিত নবায়ন ফি ৪৫০ টাকা নেই তারা দ্রুত টাকা জমা দিয়ে একাউন্ট সচল রাখুন।

উল্লেখ্য জুন মাসের শেষ সপ্তাহ পবিত্র ঈদুল আজহার জন্যে বন্ধ থাকবে।তাই বিও একাউন্ট নবায়ন করতে অবশ্যই বিও একাউন্টে নির্ধারিত  নবায়ন ফি ৪৫০ টাকা করে রাখতে হবে বিনিয়োগ কারীদের।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।