অর্থ লিপি

১৪ জুন ২০২৬ রবিবার ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

তিন মাসের ব্যবধানে ১০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার কমেছে ২৪৬ বেসিস পয়েন্ট

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

গত বুধবারের নিলামে ১০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার দাঁড়ায় .৮৯ শতাংশে। তিন মাস আগেও হার ছিল ১২.৩৫ শতাংশ।

তিন মাসের ব্যবধানে ১০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার ২৪৬ বেসিস পয়েন্ট কমেছে। দুই বছরের মধ্যে এই প্রথমবার এই হার নেমে এসেছে ১০ শতাংশের নিচে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ওইদিনের নিলামে হাজার কোটি টাকারও বেশি ট্রেজারিবন্ড বিক্রি হয়েছে।

মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের নীতি সুদের হার ১০ শতাংশেই অপরিবর্তিত রেখেছে।

ব্যাংকার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, হ্রাসের পেছনে তিনটি প্রধান কারণ রয়েছেব্যাংক খাতে অতিরিক্ত তারল্য, নিলামের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয়এবং সরকারের ট্রেজারি বিল বন্ডের মাধ্যমে কম ধার নেওয়া।

একজন ব্যাংকার বলেন, ‘নতুন বিনিয়োগ কম থাকায় ব্যবসায়ীরা ব্যাংক থেকেও কম ঋণ নিচ্ছেন। ফলে ব্যাংক খাতে তারল্য বেড়েছে। নিলামের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডলারকেনা তারল্য আরও বাড়িয়েছে। একইসঙ্গে সরকার ট্রেজারি বন্ডের মাধ্যমে ঋণ নেওয়াও কমিয়েছে।

বেসরকারি ব্যাংকের কয়েকজন ব্যাংকার বলেন, সামনে অন্যান্য ট্রেজারি বিল বন্ডের সুদের হারও কমতে পারে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘ঋণের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় অনেক ভালো ব্যাংকের তারল্য বেড়ে গেছে। ঋণ দেওয়ার সুযোগ সীমিত থাকায় ব্যাংকগুলো ট্রেজারি বিল বন্ডে বিনিয়োগ করছে।

বেশ কয়েকটি ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে তারা ঋণের বিপরীতে ১২থেকে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত সুদ নিচ্ছেন। তবে ঋণের চাহিদা অনেক কমে গেছে এবং ব্যাংকগুলো ঋণ প্রদানে এখন অনেক বেশি সতর্ক।

একটি বেসরকারি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান বলেন, সরকারি ট্রেজারি বিল বন্ডে বিনিয়োগকরা ব্যাংকগুলোর জন্য অনেক বেশি নিরাপদ।

তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘প্রথমত, এসব বন্ডের গ্যারান্টর সরকার, ফলে টাকা আটকে যাওয়ার ঝুঁকি নেই। দ্বিতীয়ত, এসব বিলবন্ডের সুদের হার ঋণের সুদের কাছাকাছি।

তিনি বলেন, ‘সবশেষে এসব বিনিয়োগের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে নগদ রিজার্ভ অনুপাত (সিআরআর) বৈধ তারল্য অনুপাত (এসএলআর) সংরক্ষণ করতে হয় না।

Author

  • 'অর্থ লিপি ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।

    'অর্থ লিপি ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।

    View all posts
Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।