শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং অদূর ভবিষ্যতে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর আশা ক্ষীণ হওয়ায়, মঙ্গলবার বিশ্ববাজারে সোনার দাম ১ শতাংশের বেশি কমেছে।
টানা দশম দিনের মতো এই দরপতনের ধারা অব্যাহত রয়েছে। একইসঙ্গে বিশ্ববাজারে নিম্নমুখী রয়েছে রুপাসহ অন্যান্য ধাতুর দামও।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) স্পট স্বর্ণের দাম ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৩৫ দশমিক ১৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে এপ্রিল মাসের ডেলিভারির মার্কিন সোনার ফিউচারও ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৩৩৬ দশমিক ১০ ডলারে নেমেছে।
ডলার শক্তিশালী হওয়ায় অন্যান্য মুদ্রার ধারকদের জন্য ডলার-মূল্যের সোনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। টেস্টিলাইভের গ্লোবাল ম্যাক্রো বিভাগের প্রধান ইলিয়া স্পিভাক বলেন, ইরানের যুদ্ধ মুদ্রাস্ফীতি বাড়াবে, এই যুক্তিতে বাজার সুদের হার বাড়িয়ে চলায় দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো আরও কঠোর নীতি গ্রহণ করবে, যা সোনার দামকে আরও নিচে ঠেলে দিচ্ছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে স্পট সোনার দাম প্রায় ১৮ শতাংশ কমেছে। নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ডলার এ সময়ে সবচেয়ে সুবিধাজনক বিনিয়োগ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমায় দেশের বাজারে সোনার দাম কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববাজারে দাম কমলে এর প্রভাব পড়ে দেশের বাজারেও। তাই যে কোনো সময় দেশের বাজারেও দাম কমানো হতে পারে।