মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত তেলের রপ্তানি বাড়ায় এবং জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোর তেলের মজুত ছাড়ার সিদ্ধান্তে সরবরাহ বাড়ায় সোমবার (০৫ অক্টোবর ) তেলের দাম কমেছে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল অবকাঠামোর আরও ক্ষতির আশঙ্কা থাকলেও দাম কমেছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ৩৪ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারস ৭২ সেন্ট বা ০ দশমিক ৭১ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০১ দশমিক ৫৯ ডলারে নেমেছে। মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড ১ ডলার ৫ সেন্ট বা ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯০ দশমিক ০৫ ডলারে লেনদেন হচ্ছিলো।
আর ডব্লিউটিআই ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপের পর শুক্রবার জি-৭ দেশগুলো জরুরি মজুত থেকে ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল ও অপরিশোধিত তেল ছাড়তে এবং জ্বালানি রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ থেকে বিরত থাকতে সম্মত হয়।
এই মজুত ছাড়ের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের অপরিশোধিত তেলের রপ্তানি আরও বাড়বে। সোমবারের জাহাজ চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজে হামলা সত্ত্বেও সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহের সাত দিনের মধ্যে চার দিন মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানি যুদ্ধের আগের স্তর ছাড়িয়ে গেছে। এদিকে সোমবার আইসিই গ্যাসঅয়েল ফিউচারস ২ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১ হাজার ৩৯০ দশমিক ২৫ ডলারে উঠেছে।
কেসিএম ট্রেডের প্রধান বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, কৌশলগত মজুত ব্যবহারের জি-৭ সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিক সরবরাহ-উদ্বেগের কিছুটা অবসান ঘটাচ্ছে। একই সঙ্গে এই ধারণাও জোরালো হচ্ছে যে সৌদি রপ্তানি যুদ্ধের আগের স্তরের দিকে ফিরছে, যদিও এসব তেল এখনও বেশি খরচে ও কম কার্যকর পথে পাঠাতে হচ্ছে।