অর্থ লিপি

১৫ জুন ২০২৬ সোমবার ১ আষাঢ় ১৪৩৩

বয়কট: কেএফসি, ম্যাকডোনাল্ডস ও স্টারবাকস ফাঁকা!

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি সন্ধ্যার দিকে কায়রোতে দেখা গেছে এক কর্মী ম্যাকডোনাল্ডসের এক শাখায় খালি টেবিল পরিষ্কার করছে। এমন জনশূন্য অবস্থা এখন মিশরে অন্যান্য পশ্চিমা ফাস্ট-ফুড চেইনগুলোর শাখাতেও!

ইসরাইল-গাজা যুদ্ধ নিয়ে কেএফসি ও ম্যাকডোনাল্ডসহ পশ্চিমা বেশকিছু পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছে কিছু আরব দেশের ক্রেতারা। ফলে বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশে পশ্চিমা ব্র্যান্ডগুলোর ওপর এর প্রভাব পড়েছে।

জর্ডানেও একই অবস্থার মুখে পশ্চিমা ব্র্যান্ডগুলো। বয়কটের এ ডাক ছড়িয়ে পড়েছে কুয়েত ও মরক্কোসহ অন্যান্য আরব দেশেও। তবে এর প্রভাব সামান্য কম সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

গত ৭ই অক্টোবর দক্ষিণ ইসরাইলে হামাসের প্রাণঘাতী হামলার পর থেকে গাজা উপত্যকায় সামরিক অভিযান চালিয়েছে ইসরাইল। এ সংঘাতের জেরেই ডাকা হয় বয়কট এবং এরই প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পশ্চিমা ব্র্যান্ডগুলো।

বলা হচ্ছে, যে কোম্পানিগুলোর বিপক্ষে সম্মিলিত এ বয়কটের ডাক, সেগুলো ইসরাইলের পক্ষে। এর মধ্যে কিছু কিছু কোম্পানির আর্থিক সম্পর্ক রয়েছে দেশটির সঙ্গে অথবা সেখানে তাদের বিনিয়োগ রয়েছে। এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে এ বয়কট আরও ছড়িয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ হচ্ছে বয়কট হওয়া কোম্পানি এবং পণ্যের তালিকা। যে ক্রেতারা এ বয়কট ক্যাম্পেইনের সঙ্গে একত্মতা প্রকাশ করেছেন, তারা পশ্চিমা ব্র্যান্ড বাদ দিয়ে ঝুঁকছেন স্থানীয় পণ্যের দিকে।

এক্ষেত্রে অনেকের বক্তব্য হচ্ছে, মিশরে নিরাপত্তাজনিত বিধিনিষেধ থাকার কারণে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করা কঠিন। তাই কেউ কেউ বয়কটকেই তাদের প্রতিবাদের মোক্ষম উপায় হিসেবে দেখছেন।

মার্কিন ফাস্ট ফুড চেইন এবং অন্য বেশকিছু পণ্য বয়কটকারী রেহাম হামেদ নামে ৩১ বছর বয়সী কায়রোর এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমি জানি আমার এ পণ্য বয়কটের পদক্ষেপ যুদ্ধে তেমন কোনো প্রভাব ফেলবে না। কিন্তু একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে অন্যদের মতো আমি এসব পণ্য কেনা থেকে বিরত থেকে আমাদের হাত রক্তে রাঙানো থেকে রক্ষা করছি।’

জর্ডানের রাজধানী আম্মানের একটি বড় সুপার মার্কেটের ক্যাশিয়ার আহমেদ আল-জারো বলেন, কেউ পশ্চিমা ব্র্যান্ডের পণ্য কিনছেন না; সবাই স্থানীয় ব্র্যান্ডই বেছে নিচ্ছেন।

রয়টার্স আরও জানায়, মঙ্গলবার (২১শে নভেম্বর) সন্ধ্যায় কুয়েত সিটিতে স্টারবাকস, ম্যাকডোনাল্ডস এবং কেএফসি’র সাতটি শাখা সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সেগুলো প্রায় জনশূন্য।

মরক্কোর রাজধানী রাবাতে স্টারবাকস শাখার এক কর্মী বলেন, এ সপ্তাহে গ্রাহকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। তবে এ ক্ষেত্রে কোম্পানি কোনো নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান দেয়নি।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।