বাংলাদেশ সরকার আবারও অনিবন্ধিত মোবাইল ফোন বিক্রি বন্ধে উদ্যোগী। এরই প্রেক্ষিতে আগামী মার্চ থেকেই নতুন হ্যান্ডসেট নিবন্ধন কার্যক্রম চালু হচ্ছে। এতে ওই মাস থেকে অবৈধ ফোন বিক্রি করতে পারবে না ব্যবসায়ীরা। বিক্রি করলেও হ্যান্ডসেটটি নেটওয়ার্কে সচল করা যাবে না। এ জন্য ফেব্রুয়ারির মধ্যে ব্যবসায়ীদের হাতে থাকা আনঅফিশিয়াল হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
দেশে চোরাইপথে আসা অনিবন্ধিত হ্যান্ডসেটের বাজার নিয়ন্ত্রণ ও দেশীয় উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুরক্ষা দিতে ২০২১ সালের জুলাইয়ে দেশে প্রথমবারের মতো ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) প্রকল্প চালু করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। তবে কার্যক্রম শুরুর সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পটি।
এই সুযোগে বাজার দখলে নেয় অবৈধ হ্যান্ডসেট। মডেলভেদে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা দাম কম হওয়ায় ১৪ হাজার কোটি টাকার মোবাইল বাজারের প্রায় ৪০ শতাংশই গ্রে-মার্কেটের নিয়ন্ত্রণে বলে দাবি হ্যান্ডসেট উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলোর।
গ্রে মার্কেটের কারণে বছরে এক হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। এ অবস্থায় গত মঙ্গলবার (১৬ই জানুয়ারি) বিটিআরসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অবৈধ হ্যান্ডসেট বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
বিটিআরসি বলছে, মার্চ থেকে চালু হবে এনইআইআর কার্যক্রম। ফেব্রুয়ারির মধ্যে ব্যবসায়ীদের কাছে থাকা অবৈধ হ্যান্ডসেট নিবন্ধন করে নিতে হবে। তবে বর্তমানে গ্রাহক ব্যবহার করছেন এমন আনঅফিসিয়াল হ্যান্ডসেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে।

গ্রাহকদের সচেতন করতে এখন থেকে হ্যান্ডসেট কেনার আগে বৈধ কি না তা যাচাই করে নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে বিটিআরসি।
Author
-
'অর্থ লিপি ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।
View all posts
'অর্থ লিপি ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।