দেশে বিদেশি ফলের বাজার মারাত্মক অস্থির হয়ে উঠেছে, এলসি (ঋণপত্র) খোলায় জটিলতার পাশাপাশি আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে দেয়ায় বিদেশি ফলের বাজারে দাম বেড়েছে। আমদানি কমায় ফলের দাম চলে গেছে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। তবে বিদেশি ফলের বাজার চড়া হওয়ায় দেশি ফল সেই বাজার দখল করছে বলে জানালেন ব্যবসায়ীরা।
গত ৫ মাসে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ১ লাখ ৫৮ হাজার মেট্রিক টন কমলা-মাল্টা-আঙ্গুর-আপেল এবং নাশপাতি ফল আমদানি হয়েছে। ১ হাজার ১৯২ কোটি টাকায় এসব ফলের আমদানি করা হলেও তার বিপরীতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ শুল্ক হিসাবে পেয়েছে ১ হাজার ১৮৮ কোটি টাকা।
মূলত চলতি অর্থবছর থেকে বিদেশি ফল আমদানিতে শুল্ক হার বাড়িয়ে দেয়ায় গত বছরের তুলনায় ৫ হাজার মেট্রিক টন ফল কম আমদানি হলেও রাজস্ব আদায় বেড়েছে ৩২০ কোটি টাকা।
প্রসঙ্গত, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ২ হাজার ৯৫ কোটি টাকা মূল্যের ৩ লাখ ৭৮ হাজার মেট্রিক টন ফল আমদানি করেছিল বাংলাদেশ। আর এই আমদানি থেকে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ শুল্ক আদায় করে ২ হাজার ৭২ কোটি টাকা।
কয়েক বছর আগে দেশের ফলের বাজার ছিল আমদানি করা বিদেশি ফলের দখলে। তবে ডলার সংকটের পাশাপাশি কাস্টম শুল্কহার বাড়িয়ে দেয়ায় সেই আমদানি করা ফলের বাজারে ধস নেমেছে। এখন ফলের বাজার দেশীয় ফলের দখলে। এমনকি ফলের মৌসুম থাকায় ক্রেতারাও কম দামে দেশি ফল কিনতে পারছেন।
Author
-
'অর্থ লিপি ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।
View all posts
'অর্থ লিপি ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।