সম্প্রতি বহুল আলোচিত ডিজিটাল ব্যাংকের জন্য ৫২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে।ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য আবেদন অনলাইনে জমা নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল গত বৃহস্পতিবার ১৭ ই আগস্ট ,২০২৩ ,রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।
ডিজিটাল ব্যাংকের জন্যে আবেদনকারীদের মধ্যে সরকারি ও বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক, বিমা প্রতিষ্ঠান, মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়াও আছে বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর, তথ্য প্রযুক্তি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, এমনকি ওষুধ কোম্পানি ,গার্মেন্টস ও ঢেউশিট উৎপাদনকারী কোম্পানিও।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা যায়, বেসরকারি খাতের ১০টি ব্যাংক, রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের ৪টি ব্যাংক, নগদ, বিকাশ, বাংলালিংক ও পাঠাওসহ আরও বেশকিছু প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে।
সম্প্রতি দেশে ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় অনুমতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এজন্য আগ্রহীদের কাছ থেকে আবেদনও আহ্বান করা হয়। নগদ টাকার ব্যবহার কমিয়ে আনাও লেনদেন আরও সহজ করতে সরকারের ‘ক্যাশলেস সোসাইটি’ গড়ার উদ্যোগে ডিজিটাল ব্যাংক চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সামগ্রিক ভাবে দেশের জেনারেল ব্যাংকগুলোর অবস্থা খুব একটা ভালো নয় ,বহু ব্যাংকে রেকর্ড পরিমান খেলাপী ঋণ ,সহ বিভিন্ন অভিযোগ আছে। ব্যাংকগুলির অনিয়ম কেন্দ্রীয় ব্যাংক সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে কখনো কখনো। বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে টাকা জমা রেখে মানুষ টাকা ফেরত পাচ্ছে না অনেক সময় ,পিপলস লিজিং এ টাকা রেখে লাখ লাখ মানুষ আজ ও ঘুরছে টাকা তোলার জন্যে।এমতাবস্থায় ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়া কতটা সময়পযোগী হবে ভালো ভাবে ভেবে দেখতে হবে, সার্বিকভাবে বিশ্লেষণ করে কোম্পানিগুলির আর্থিক অবস্থা ও সুনাম বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।উল্টাপাল্টা কোম্পানিকে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দিলে বিনিয়োগকারীগন বিপদে পরতে পারেন।