বেশ কয়েক মাস যাবৎ ব্লক মার্কেটে লেনদেন হচ্ছে নিয়মিত। মূলত ফ্লোর প্রাইজের নিচে ব্লক মার্কেটে লেনদেন হবার কারণে ব্লক মার্কেট এখন হটকেক।মূল বাজারে লেনদেন যাই হোক, ব্লক মার্কেটে চলছে নিয়মত দালালি নির্ভর ব্যবসা।
বাজারে ফান্ডামেন্টাল বা মৌলভিত্তির ভালো শেয়ার নিয়ে একদল বিনিয়োগকারী হতাশ হয়ে পরছে দিনকে দিন। বেশ কিছু লোকজন ঢাকা শেয়ার বাজার ডটকমকে জানান ভাই ফান্ডামেন্টাল বুঝিনা, এখন শেয়ার বিক্রি করতে পারলেই বাঁচি যেন।
কিছু বিনিয়োগকারী হন্য হয়ে খুজতেছেন ক্রেতাদের। কিন্তু তারা তো ক্রেতা খুজে পাচ্ছেন না, ক্রেতা খুজে পেতে ও দিতে হচ্ছে ঘুষ বা সম্মানি ,চুক্তিভিত্তিক দড় কষাকষির মাধ্যমে। ব্লকে শেয়ার বিক্রি করছেন বিপদে পরা বিনিয়োগকারীরা। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য ফ্লোর দামের নিচে শুধু ১০% কমেই না, কেউ কেউ ২০% কম দাম দিয়ে ও শেয়ার বিক্রি করছেন ব্লক মার্কেটে। কিভাবে ২০% কমে বিক্রি করলেন জানতে চাইলে একজন বিনিয়োগকারী জানান মার্কেটের মাধ্যমে ১০% কমে আর বাকি ১০% এর দাম নগদ প্রদান করার শর্তে। বিষয় টিখুবই স্পর্শকাতর।
বিভিন্ন হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকের কিছু অফিসার হন্যে হয়ে ব্লক মার্কেটে কম দামে কে শেয়ার বিক্রি করবে এমন বিনিয়োগকারী সারাদিন খুজে বেড়ান। ব্লক ট্রেডের মাধ্যমে তারা রমরমা ব্যবসা করছেন। টাকার মাধ্যমে ব্লক মার্কেটে লেনদেন বিষয়টি শেয়ার বাজারে এখন একটি ওপেন বিষয় বলে জানান ব্লক ট্রেড করতে সহায়তা করা কিছু অফিসার।
বাজারের সার্বিক উন্নতির জন্যে ফ্লোর প্রাইজের কমে ব্লক মার্কেটে লেনদেনটা বন্ধ করা এখন সময়ের প্রয়োজন। বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের ভেবে দেখা উচিৎ বলে মনে করেন বাজার সংশ্লিষ্টবিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ও অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীরা।
দুখঃজনক হলেও সত্য বাজারের বেশ কিছু শেয়ার এত দিনে ফ্লোর ভেঙে উঠে যেত,য দি না ফ্লোরের নিচে ব্লক মার্কেটের লেনদেনের সিস্টেম না থাকত। ফ্লোরের নিচে ১০% কমে ব্লক লেনদেন যেন বাজারের জন্যে ১০নং বিপদ সংকেত। এটি বন্ধ করা সময়ের দাবি ও প্রয়োজন। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য ব্লক মার্কেটের নিচে কেনা বেচার সুবিধা দেয়াতে মূলত লাভ হয়েছে ইন্সটিটিউট ও কিছু দালাল শ্রেণির লোকজনের।