পুজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৪২টি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের মধ্যে ইতিমধ্যেই সবগুলো ইন্সুরেন্স ২য় প্রান্তিক ইপিএস ঘোষণা করেছে।
৪২ টি ইন্স্যুরেন্সের মধ্যে ১২ কোম্পানির গত বছরের চেয়ে আয় (ইপিএস) উভয় প্রান্তিকেই বেড়েছে।
বাকি ৩০টি কোম্পানির মধ্যে ২৮ টি কোম্পানির গত বছরের চেয়ে আয় কিছুটা কমেছে। ২ টি কোম্পানির মুনাফা গতবারের মতোই হয়েছে।

ঘোষণাকৃত কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৫ টি কোম্পানির ৩য় প্রান্তিকে মুনাফা কম হলেও ২ প্রান্তিক তথা ৬ মাস মিলে মুনাফা বেড়েছে। পাশাপাশি ৩ টি কোম্পানির গত ৩ মাসে বাড়লেও ৬ মাসে মিলে মুনাফা কম হয়েছে ।
উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই ঘোষণাকৃত ৪২ টি জেনারেল ইন্সুরেন্স কোম্পানির ২য় প্রান্তিকে কোন কোম্পানি লস করেনি।
পুঁজিবাজারে যতগুলো খাতের শেয়ার আছে তুলনামূলক ভাবে বিচার করলে এই খাতের শেয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বিনিয়োগকারীদের প্রতিবছর ভাল লভ্যাংশ দিয়ে যাচ্ছে।
গত জুলাই মাসে ইন্সুরেন্স খাতের শেয়ারের প্রতি মানুষের বেশ চাহিদা লক্ষ্য করা গেলেও আগস্ট মাসে প্রায় সব ইন্সুরেন্স কোম্পানির দাম পতন হয়েছে। দাম পতন হবার কারণে কোম্পানিগুলি বিনিয়োগ উপযোগী অবস্থায় চলে এসেছে। যেহেতু ২য় প্রান্তিক ইপিএস প্রকাশ শেষ পুরো জেনারেল ইন্সুরেন্স খাতের দাম পতন হয়েছে, সেই দিক বিবেচনায় নিয়ে যে সব কোম্পানির ভালো মুনাফা করেছে সেই কোম্পানি গুলি বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ তালিকায় থাকবে হয়তো।
সার্বিকভাবে বিশ্লেষণ করলে এই খাতের শেয়ারের বাজার মুভমেন্টে কিছুটা ব্যতিক্রমী বিষয় লক্ষ্যনীয়, সেটা যখন দাম বৃদ্ধি হয় তখন পুরো খাতজুড়ে দাম বাড়ে আবার যখন কমে একই ধারাতে কমতে থাকে।
এই খাতের একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় তুলনামূলক ভাবে এই খাতের কোম্পানিগুলো নগদ লভ্যাংশ দেয়ার কারণে এই খাতের শেয়ারগুলোর মূলধন বাজারের অন্য খাতের শেয়ারের চেয়ে কম থাকায় বিনিয়োগকারীরা আকৃষ্ট হয়ে থাকেন।