আমানত পেতে প্রতিযোগিতা শুরু করেছে তারল্য সংকটে থাকা কিছু দুর্বল ব্যাংক। ঋণ বিতরণে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ সুদহারের সীমা তুলে দেওয়ার পর থেকে হু হু করে বাড়ছে ঋণ ও আমানতের সুদের হার। কোনো কোনো ব্যাংক পাঁচ বছরে টাকা দ্বিগুণ ফেরত দেওয়ার শর্তে আমানত গ্রহণ শুরু করেছে। তার পরও কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ আমানত পাচ্ছে না ব্যাংকগুলো।
প্রায় ১০ শতাংশ মূল্যস্ফীতির বাজারে কম সুদে আর আমানত পাওয়া যাচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়েই আমরা সাড়ে ৯ শতাংশ সুদ অফার করছি। তার পরও আমানত পাচ্ছি না। তা ছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বড় বিনিয়োগকারীরা এখন ব্যাংক থেকে টাকা তুলে বন্ডে বিনিয়োগ করছেন জানালেন রাষ্ট্রীয় মালিকানার একটি ব্যাংকের কর্মকর্তা। কারণ সেখানে বিনিয়োগ পুরোপুরি নিরাপদ, এ কারণে এখনো বহু ব্যাংক তারল্য সংকটে রয়েছে বলে তিনি জানালেন।
জানা গেছে, তারল্য সংকটে থাকা কিছু বেসরকারি ব্যাংক আমানত সংগ্রহের ক্ষেত্রে সাড়ে ১২ শতাংশ পর্যন্ত সুদ অফার করছে। তবে যাদের অবস্থা ভালো তারা এক অঙ্কের সুদহারেও আমানত সংগ্রহ করছে।
মে মাসের শেষের দিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক সভায় জানিয়েছেন, বর্তমান তহবিল খরচ বিবেচনায় সুদের হার ১৪ শতাংশের নিচে থাকবে বলে তিনি আশা করেন। ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) নেতারা ১৬ মে এক বৈঠকে সুদহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর এই মন্তব্য করেন।