দেশে প্রথমবারের মতো বঙ্গোপসাগরের এক্সক্লুসিভ ইকনোমিক জোন ও আন্তর্জাতিক জলসীমায় শুরু হতে যাচ্ছে টুনা মাছ আহরণ। বঙ্গোপসাগরের ১ লাখ ১৯ বর্গকিলোমিটার জুড়ে বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল। মৎস্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, বিশাল এ সমুদ্র অঞ্চলে আছে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক চাহিদা থাকা টুনা মাছের ৮টি প্রজাতি ও ১০ প্রজাতির পেলাজিক মাছ।
প্রথমবারের মতো পাইলট প্রকল্পের অংশ হিসেবে গভীর সমুদ্র থেকে টুনা আহরণ করতে যাচ্ছে সংস্থাটি। এক্ষেত্রে ফেব্রুয়ারিতে চীন থেকে কেনা হয় ২৪ কোটি টাকার দুটি জাহাজ। জাহাজ দুটিতে ৩০ জন ক্রু নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে প্রকল্পের কার্যক্রম।
মৎস্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আনিছুর রহমান তালুকদার বলেন, ‘এ প্রকল্পের আওতায় কাজ চলছে। আমরা যদি টেকসইভাবে টুনা আহরণ ও সংরক্ষণ করতে পারি, তাহলে আমাদের কাছে সমুদ্রের বিশাল মাছের উৎপাদনের ক্ষেত্র উদঘাটন হবে।’
প্রকল্পের আওতায় গভীর সমুদ্রের ২০০ মিটার গভীরতায় বাংলাদেশের স্থলভাগ থেকে প্রায় ৩৮০ নটিক্যাল মাইল দূরে এক্সক্লুসিভ ইকনোমিক জোন এবং আন্তর্জাতিক জলসীমায় টুনা আহরণ করা হবে। পাঁচ বছর মেয়াদি পাইলট প্রকল্পটির খরচ ধরা হয়েছে ৫৫ কোটি ২১ লাখ টাকা।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয় ও ব্যাপক চাহিদা থাকায় টুনা প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দেশের ব্লু ইকোনোমিতে নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। পাশাপাশি জাপানসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রফতানির সুযোগ তৈরি হবে।
অর্থনীতিবিদ মাহফুজ কবীর বলেন, ‘এটি আমাদের রফতানি বাণিজ্যে একটি ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক বাজারে, যেমন – দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ জাপান থেকে শুরু করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজার, এমনকি যুক্তরাষ্ট্র বা নর্থ আমেরিকান বাজারেও টুনা রফতানি করতে পারব।’
Author
-
'অর্থ লিপি ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।
View all posts
'অর্থ লিপি ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।