অর্থ লিপি

১৬ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্পতিবার ৩ বৈশাখ ১৪৩৩

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার মতো কোন সম্ভাবনা নেই,বানিজ্য সচিব

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার মতো পরিস্থিতি আছে কিনা ? এই বিষয় নিয়ে বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার মতো কিছু দেখছেন না। আর যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম অধিকার স্মারকের সঙ্গে আগামী সংসদ নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই বলেও মনে করেন তিনি।

গতকাল (৩০ নভেম্বর ) বৃহস্পতিবার ঢাকায় সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।বাণিজ্য সচিব জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে যে ধরনের শুল্কমুক্ত সুবিধা পায়। বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র থেকে সে ধরনের কিছু পায় না। ১৫ শতাংশের বেশি শুল্ক দিয়ে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানি করতে হয়। যুক্তরাষ্ট্র এমন সব দেশের সঙ্গেও বাণিজ্যকরে, যেগুলোতে গণতন্ত্র নেই। সেসব দেশে এমনকি তথ্যের অবাধ প্রবাহও নেই, বরং আছে একদলীয় শাসন।

বাণিজ্যসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থা অনেক উন্মুক্ত। এখানে গণতন্ত্রের চর্চাআছে। এখানে সবকিছু হয় স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায়। ফলে দেশের বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ারমতো পরিস্থিতি আছে বলে মনে করি না।

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম অধিকার স্মারকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কিছু পর্যবেক্ষণের কথাউল্লেখ রয়েছে বলে জানান তপন কান্তি ঘোষ। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের শ্রম আইন নিয়েইইউ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কিছু কথা আছে। সেগুলো উন্নত করার চেষ্টাকরছি। আমি মনে করি, এটা নতুন কিছু নয়। যুক্তরাষ্ট্রের নীতি সব দেশের জন্যই সমান।

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম অধিকার স্মারকের কারণে বাণিজ্যমন্ত্রণালয় কোনো চাপ অনুভব করছে না বলেও জানানবাণিজ্যসচিব। বলেন, ‘আমরা প্রতিনিয়ত এসব নিয়েকাজ করছি। সামনে দেশের শ্রমিকদের অধিকারকীভাবে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, জোর দিচ্ছিসেদিকে।

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম অধিকার স্মারকে বাংলাদেশ নিয়ে যে কথা বলা আছে, বিষয়ে জানতেচাইলে তপন কান্তি ঘোষ বলেন, ‘সংবাদমাধ্যমে আমরা দেখেছি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জোবাইডেন একটা সমঝোতায় সই করেছেন, যেখানে বিশ্বজুড়ে শ্রম অধিকার বাস্তবায়নেসক্রিয়ভাবে কাজ করার কথা বলা হয়েছে। আমরা অনেক বছর ধরে এসব বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইইউর সঙ্গে কাজ করছি। বিশেষ করে ১০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র ইইউর সঙ্গে অনেক বেশি যুক্ত হয়েছি।যুক্ত হওয়ার কিছু উদাহরণও দেন বাণিজ্যসচিব। বলেন, ‘আমাদের মধ্যে প্রায়ই মতবিনিময় বৈঠক হয়। ইইউর উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। সম্প্রতি বৈঠকহয়েছে টিকফার। বাংলাদেশের শ্রম পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ আইএলওর কিছু বক্তব্যআছে। আমরা শ্রম অধিকারের উন্নতি করার জন্য কাজ করছি।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।